মহান আল্লাহর বিশ্বাসী বান্দাদের প্রিয় অভ্যাস রাত জেগে ইবাদত করা। রাতের আমল মহান আল্লাহর কাছে অনেক বেশি পছন্দনীয়। যে ব্যক্তি রাত জেগে বিছানা থেকে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহ তাআলা তার প্রশংসা করেছেন।
যেসব আমল
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের আজান হলে তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং বেচাবিক্রি বন্ধ কোরো, তা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝো।
দুনিয়া ও আখেরাতে মর্যাদার একমাত্র মালিক মহান আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছা মর্যাদা দান করেন, আবার যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন। মানুষের মর্যাদা শুধু সামাজিক অবস্থান বা অর্থবিত্তের দ্বারা নির্ধারিত নয়, বরং তা সৎকাজ, আল্লাহর নৈকট্য এবং তার সন্তুষ্টি অর্জনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মুমিন জীবনের সবচেয়ে বড় চাওয়া-পাওয়া হলো জান্নাত। আল্লাহতায়ালা জান্নাতে যাওয়ার পথ অত্যন্ত সহজ করে দিয়েছেন।
আল্লাহর বিশেষ বান্দা নবী-রাসুলরা ছাড়া মানুষ মাত্রই গুনাহপ্রবণ। তাই জেনে-না জেনে, বুঝে-না বুঝে গুনাহ হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে সেই গুনাহ থেকে পবিত্র না হওয়া বা গুনাহ থেকে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা না করা জঘন্য অপরাধ। হাদিসে আছে, মানুষ মাত্রই গুনাহগার, তবে গুনাহগারদের মধ্যে তাওবাকারীরাই উত্তম। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪৯৯)
রসুলুল্লাহ (সা.) সব সময় মহান আল্লাহর ইবাদতে কাটাতেন। তিনি সব কিছু মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করেছেন। তিনি ব্যবসাও করতেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।
আওয়ামী পুনর্বাসন ঠেকাতে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা প্লাটফর্ম ‘জুলাই ঐক্য’ সচিবালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে থাকা আওয়ামী লীগের দোসরদের তালিকা প্রকাশ করেছে।
রমজান মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এই মাসে ইফতারের সময় ও ইফতারের পর করা আমলগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সবসময় সর্বাবস্থায় আল্লাহর সাহায্য চাইলে কিছু আমল গুরুত্বসহকারে করা উচিত। যেসব আমল করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার সঙ্গে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।
মানবজীবনে রুহানি শক্তির গুরুত্ব অনেক বেশি। রুহানি শক্তি একজন মানুষকে সঠিক পথে চলতে, পাপ থেকে দূরে থাকতে এবং সৎ কাজ করার জন্য অনুপ্রাণিত করে।